pgok বিশ্বাস করে গেমিং শুধুমাত্র বিনোদনের একটি মাধ্যম। আমরা চাই আমাদের প্রতিটি সদস্য সুস্থ, সচেতন এবং নিয়ন্ত্রিতভাবে গেম উপভোগ করুক। আপনার মানসিক ও আর্থিক সুস্বাস্থ্য আমাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
আমরা আপনাকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নিচের সরঞ্জামগুলো আপনার pgok অ্যাকাউন্ট থেকেই ব্যবহার করা যায়।
দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক জমার সীমা নির্ধারণ করুন। একবার সীমা নির্ধারিত হলে তা কমানো তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়, কিন্তু বাড়াতে ২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে।
একটানা কতক্ষণ গেম খেলবেন তার সময়সীমা নির্ধারণ করুন। নির্দিষ্ট সময় পরে স্বয়ংক্রিয় রিমাইন্ডার পাবেন বা সেশন স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হয়ে যাবে।
কিছুটা বিরতি দরকার মনে হলে ২৪ ঘণ্টা থেকে ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত কুলিং-অফ পিরিয়ড সক্রিয় করুন। এই সময়ে অ্যাকাউন্টে লগইন করা যাবে না।
যদি মনে হয় গেমিং আসক্তির পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে, স্থায়ীভাবে বা দীর্ঘমেয়াদি সেলফ-এক্সক্লুশনের আবেদন করুন। এটি সর্বোচ্চ পদক্ষেপ — আমরা সম্পূর্ণ সহায়তা করব।
প্রতিটি গেমে সর্বোচ্চ কত পরিমাণ বাজি রাখবেন তার সীমা নির্ধারণ করুন। বড় ক্ষতি এড়াতে এটি একটি কার্যকর উপায়।
নির্দিষ্ট বিরতিতে (যেমন প্রতি ৩০ মিনিটে) pgok স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনাকে জানাবে আপনি কতক্ষণ ধরে খেলছেন এবং মোট কত ব্যয় হয়েছে।
দায়িত্বশীল গেমিং মানে হলো গেমকে বিনোদন হিসেবে উপভোগ করা — জীবনের সমস্যার সমাধান হিসেবে নয়। pgok-এ যখন কেউ খেলতে আসেন, আমরা চাই তিনি নিরাপদ পরিবেশে, নিজের সামর্থ্যের মধ্যে থেকে আনন্দ নিন।
বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট সহ সারা দেশের লাখো মানুষ প্রতিদিন বিভিন্ন গেমিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছেন। কিন্তু এর সাথে বেড়েছে আসক্তির ঝুঁকিও। pgok এই বাস্তবতা সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন এবং আমরা আমাদের সদস্যদের সুরক্ষার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মনে রাখবেন — pgok-এ গেম খেলা আনন্দের হওয়া উচিত। যদি কোনো সময় মনে হয় খেলা আর আনন্দদায়ক নেই, বরং বাধ্যবাধকতা মনে হচ্ছে, সেটাই হলো থামার সংকেত। আর্থিক চাপের মধ্যে কখনো গেম খেলবেন না।
দায়িত্বশীল গেমিং কোনো দুর্বলতার লক্ষণ নয় — বরং এটি একটি সচেতন, পরিণত সিদ্ধান্ত। pgok সেই সিদ্ধান্তকে সম্মান করে এবং প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম দিয়ে আপনার পাশে আছে।
গেমিং যেন মানসিক চাপ, হতাশা বা উদ্বেগের কারণ না হয় — pgok সেই নিশ্চয়তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সংসারের প্রয়োজনীয় অর্থ দিয়ে কখনো গেম খেলবেন না। শুধুমাত্র অতিরিক্ত বিনোদনের বাজেট থেকে খেলুন।
পরিবারের সাথে সময় কাটানোর চেয়ে গেমিংকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া শুরু হলে সেটা একটি সতর্কসংকেত।
কাজ, পড়াশোনা বা অন্যান্য দায়িত্বের আগে গেমিংকে প্রাধান্য দিলে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বাংলাদেশের প্রযোজ্য আইন ও pgok-এর নীতি অনুযায়ী, ১৮ বছরের কম বয়সী কেউ এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারবেন না — কোনো ব্যতিক্রম নেই।
pgok কঠোরভাবে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য পরিষেবা প্রদান করে। এটি শুধু একটি নিয়ম নয় — এটি আমাদের সামাজিক দায়িত্ব। অপ্রাপ্তবয়স্কদের জুয়া খেলার প্রভাব তাদের ব্যক্তিত্ব বিকাশ, শিক্ষা এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে।
আমরা নিবন্ধনের সময় বয়স যাচাই করি এবং যেকোনো সময় পরিচয়পত্র চাওয়ার অধিকার রাখি। যদি প্রমাণিত হয় যে কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করছে, অ্যাকাউন্টটি তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করা হবে।
যদি আপনি জানতে পারেন যে কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক pgok ব্যবহার করছে, অনুগ্রহ করে আমাদের সাপোর্ট টিমকে জানান: [email protected]
নিচের লক্ষণগুলো যদি আপনার বা কাছের কারো মধ্যে দেখেন, তাহলে সাহায্য নেওয়ার সময় এসেছে।
সংসারের প্রয়োজনীয় অর্থ (ভাড়া, খাবার, বাচ্চার পড়াশোনা) গেমে খরচ হয়ে যাচ্ছে।
প্রতিবার হারলে আরও বেশি বাজি রেখে আগের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।
পরিবারের কাছ থেকে গেমিং লুকিয়ে রাখছেন বা খরচের ব্যাপারে মিথ্যা বলছেন।
গেম খেলতে না পারলে রাগ, উদ্বেগ বা মানসিক অস্থিরতা অনুভব করছেন।
গেমের জন্য রাত জেগে থাকছেন, খাওয়া-ঘুম অনিয়মিত হয়ে যাচ্ছে।
পরিবার, বন্ধু বা সহকর্মীরা গেমিং নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।
নিচের প্রশ্নগুলো সততার সাথে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন। যদি ৩টি বা তার বেশি প্রশ্নের উত্তর "হ্যাঁ" হয়, তাহলে আপনার গেমিং অভ্যাস নিয়ে সচেতন হওয়ার সময় এসেছে।
বাজেট নির্ধারণ করুন: প্রতি মাসে গেমিংয়ের জন্য নির্দিষ্ট একটি বাজেট রাখুন এবং তার বাইরে যাবেন না। শুধুমাত্র হারানোর সামর্থ্য আছে এমন অর্থ দিয়ে খেলুন।
সময় নির্ধারণ করুন: প্রতিদিন কতক্ষণ গেম খেলবেন তা আগে থেকে ঠিক করুন। অ্যালার্ম সেট করুন এবং সময় হলেই থামুন।
বিনোদন হিসেবে দেখুন: গেমিংকে সিনেমা দেখা বা ক্রিকেট দেখার মতো বিনোদন হিসেবে ভাবুন — আয়ের উৎস হিসেবে নয়।
বিরতি নিন: একটানা খেলা থেকে বিরতি নিন। চা পান করুন, হাঁটতে যান, পরিবারের সাথে সময় কাটান।
আবেগে বাজি রাখবেন না: হারের পর হতাশায় বা জেতার পর উত্তেজনায় অতিরিক্ত বাজি রাখবেন না। শান্ত মাথায় খেলুন।
pgok সরঞ্জাম ব্যবহার করুন: ডিপোজিট লিমিট, টাইম লিমিট ও রিয়েলিটি চেক — এই সরঞ্জামগুলো নিয়মিত ব্যবহার করুন।
গেমিং সমস্যায় সাহায্য চাওয়া দুর্বলতার লক্ষণ নয় — এটি একটি সাহসী, সচেতন পদক্ষেপ। pgok সবসময় আপনার পাশে আছে।
আমাদের বাংলাভাষী সাপোর্ট টিম ২৪/৭ প্রস্তুত। গেমিং সমস্যা, অ্যাকাউন্ট সীমাবদ্ধতা বা সেলফ-এক্সক্লুশন — যেকোনো বিষয়ে নির্দ্বিধায় যোগাযোগ করুন। আপনার কথা সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে।
গেমিং এখনই বন্ধ করতে চাইলে, কোনো অপেক্ষা না করে সেলফ-এক্সক্লুশন সক্রিয় করুন।
অথবা সাপোর্টে সরাসরি বলুন
pgok-এ রয়েছে ৭০০+ গেম, বিশ্বস্ত পেমেন্ট ব্যবস্থা এবং ২৪/৭ বাংলা সাপোর্ট। সীমার মধ্যে থেকে আনন্দ নিন। মনে রাখবেন — শুধুমাত্র ১৮+।